দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা আর আড্ডার এই দিনগুলোতে অন্তত এক দিন শাড়ি পরা চাই-ই চাই! তবে অনেকেই শাড়ি পরতে গিয়ে দ্বিধায় পড়েন। মূল কারণ, শাড়ি পরলে পেট বা কোমরের কাছটা খানিকটা ভারী বা ফোলা লাগার ভয়। এর সমাধানও রয়েছে, তবে তার জন্য ডায়েট বা জিমে ছুটতে হবে না। তবুও একটু ফ্যাশন হ্যাকস ব্যবহার করলে বিনা খাটাখাটনিতেই শাড়ির লুক অনেকটাই ছিপছিপে দেখাতে পারে। রইল তেমনই কয়েকটি সহজ টিপস।
সঠিক ফ্যাব্রিক ও ডিজাইন নির্বাচন: স্লিম লুক চাইলে খুব শক্ত বা ফুলে থাকে এমন শাড়ি এড়িয়ে চলুন। শিফন, জর্জেট কিংবা লাইটওয়েট সিল্ক শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে বসে যায়। ফলে অতিরিক্ত ভারী দেখায় না। প্রিন্টের ক্ষেত্রেও একটু সাবধান। বড় বড় মোটিফ বা চওড়া পাড়ের বদলে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ কিংবা সরু পাড় বেছে নিন। এতে চোখের দেখায় শরীর কিছুটা লম্বা ও ছিপছিপে লাগে।
পেটিকোট বদলে শেপওয়্যার: শাড়ির নীচে পরা পেটিকোট অনেক সময় কোমরের কাছে বাড়তি ঘের তৈরি করে। বিশেষ করে সুতির ঘেরওয়ালা পেটিকোটে পেট ও কোমর আরও ভারী দেখাতে পারে। তাই চাইলে শাড়ি শেপওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। এতে কোমরের অংশটা সুন্দরভাবে বসে এবং শাড়ির ফলও ভাল আসে। প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় হাঁটাচলার সুবিধার জন্য সাইড-স্লিট বা কাটা অংশ দেওয়া শেপওয়্যার বেছে নেওয়া ভাল।
কুঁচি করার কায়দা বদলান: শাড়ির কুঁচি ঠিকমতো না করলে পেটের কাছে কাপড় জমে গিয়ে শরীর ভারী দেখাতে পারে। তাই কুঁচিগুলো সমান করে ভাঁজ করে আগে পিন দিয়ে আটকে নিন। তারপর কোমরে গুঁজুন। আঁচল এলোমেলো করে ছেড়ে রাখার বদলে সমান প্লিট করে কাঁধে পিন-আপ করলে সাজ অনেক বেশি গোছানো দেখাবে।
ব্লাউজের কাটেও আছে ম্যাজিক: খুব ছোট হাতা বা স্লিভলেস ব্লাউজের বদলে কনুই পর্যন্ত বা থ্রি-কোয়ার্টার হাতা বেছে নিতে পারেন। এতে হাতের ভারী ভাব কিছুটা ঢাকা পড়ে। গলার কাটে ভি-নেক, ডিপ ইউ বা পানপাতা গলা বেছে নিলে ঘাড় লম্বা দেখায়। ফলে পুরো লুকেও একটা সুন্দর ব্যালেন্স আসে।
হিল পরুন, তবে আরাম ভুলবেন না: শাড়ির সঙ্গে হিল পরলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই একটু লম্বা দেখায়। আর লম্বা দেখালে লুকও ছিপছিপে লাগে। তবে পুজোয় অনেকটা হাঁটতে হবে বলে খুব উঁচু হিলের বদলে ওয়েজেস বা প্ল্যাটফর্ম হিলস বেছে নিতে পারেন। একটা বিষয় মনে রাখবেন- শাড়ি পরার আগেই জুতো পরে নিন। তাতে শাড়ির দৈর্ঘ্য ঠিক রাখা সহজ হবে।
শেষ কথা আত্মবিশ্বাস: শরীরের গড়ন যেমনই হোক, সেটাই স্বাভাবিক এবং সুন্দর। স্লিম দেখানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজের স্বস্তি নষ্ট করার কোনও প্রয়োজন নেই। সঠিক শাড়ি, স্মার্ট ড্রেপিং আর নিজের উপর ভরসা, এই তিনটিই পুজোর সাজে আসল ম্যাজিক।
সঠিক ফ্যাব্রিক ও ডিজাইন নির্বাচন: স্লিম লুক চাইলে খুব শক্ত বা ফুলে থাকে এমন শাড়ি এড়িয়ে চলুন। শিফন, জর্জেট কিংবা লাইটওয়েট সিল্ক শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে বসে যায়। ফলে অতিরিক্ত ভারী দেখায় না। প্রিন্টের ক্ষেত্রেও একটু সাবধান। বড় বড় মোটিফ বা চওড়া পাড়ের বদলে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ কিংবা সরু পাড় বেছে নিন। এতে চোখের দেখায় শরীর কিছুটা লম্বা ও ছিপছিপে লাগে।
পেটিকোট বদলে শেপওয়্যার: শাড়ির নীচে পরা পেটিকোট অনেক সময় কোমরের কাছে বাড়তি ঘের তৈরি করে। বিশেষ করে সুতির ঘেরওয়ালা পেটিকোটে পেট ও কোমর আরও ভারী দেখাতে পারে। তাই চাইলে শাড়ি শেপওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। এতে কোমরের অংশটা সুন্দরভাবে বসে এবং শাড়ির ফলও ভাল আসে। প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় হাঁটাচলার সুবিধার জন্য সাইড-স্লিট বা কাটা অংশ দেওয়া শেপওয়্যার বেছে নেওয়া ভাল।
কুঁচি করার কায়দা বদলান: শাড়ির কুঁচি ঠিকমতো না করলে পেটের কাছে কাপড় জমে গিয়ে শরীর ভারী দেখাতে পারে। তাই কুঁচিগুলো সমান করে ভাঁজ করে আগে পিন দিয়ে আটকে নিন। তারপর কোমরে গুঁজুন। আঁচল এলোমেলো করে ছেড়ে রাখার বদলে সমান প্লিট করে কাঁধে পিন-আপ করলে সাজ অনেক বেশি গোছানো দেখাবে।
ব্লাউজের কাটেও আছে ম্যাজিক: খুব ছোট হাতা বা স্লিভলেস ব্লাউজের বদলে কনুই পর্যন্ত বা থ্রি-কোয়ার্টার হাতা বেছে নিতে পারেন। এতে হাতের ভারী ভাব কিছুটা ঢাকা পড়ে। গলার কাটে ভি-নেক, ডিপ ইউ বা পানপাতা গলা বেছে নিলে ঘাড় লম্বা দেখায়। ফলে পুরো লুকেও একটা সুন্দর ব্যালেন্স আসে।
হিল পরুন, তবে আরাম ভুলবেন না: শাড়ির সঙ্গে হিল পরলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই একটু লম্বা দেখায়। আর লম্বা দেখালে লুকও ছিপছিপে লাগে। তবে পুজোয় অনেকটা হাঁটতে হবে বলে খুব উঁচু হিলের বদলে ওয়েজেস বা প্ল্যাটফর্ম হিলস বেছে নিতে পারেন। একটা বিষয় মনে রাখবেন- শাড়ি পরার আগেই জুতো পরে নিন। তাতে শাড়ির দৈর্ঘ্য ঠিক রাখা সহজ হবে।
শেষ কথা আত্মবিশ্বাস: শরীরের গড়ন যেমনই হোক, সেটাই স্বাভাবিক এবং সুন্দর। স্লিম দেখানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজের স্বস্তি নষ্ট করার কোনও প্রয়োজন নেই। সঠিক শাড়ি, স্মার্ট ড্রেপিং আর নিজের উপর ভরসা, এই তিনটিই পুজোর সাজে আসল ম্যাজিক।
ফারহানা জেরিন